তাশরীফকে ধমক দেয়া পু’লিশ সদস্যকে খুঁজছে প্রশাসন

সিলেট-সুনামগঞ্জ ব’ন্যা পরিস্থিতিতে অনন্য উদাহ’র’ণ সৃষ্টি করা তরুণ গায়ক তাশরীফ খানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে সিলেটের এক পু’লিশ সদস্য। ফেসবুক লাইভে সেই ঘটনার কথা জানিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

অ’ভিমানের সুরে এ গায়ক বলেন, ব’ন্যার্তদের সহায়তা করতে সিলেটে গিয়েছেন। চু’রি বা কারো ক্ষতি করতে যাননি। পু’লিশ সদস্যের এমন ব্যবহারে তিনি ক’ষ্ট পেয়েছেন। ফেসবুকে সেই ঘটনার কথা জানাতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠে। লাইভটি মুহূর্তেই ভাই’রাল হয়ে পড়ে।

সেই লাইভের পরপরই পু’লিশের পক্ষ থেকে তাশরীফকে ফোন করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, এখন থেকে সিলেটে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রমে তাকে সর্বাত্মক সহায়তা দেবে পু’লিশ। পাশাপাশি যে পু’লিশ সদস্য তাকে ধমক দিয়েছেন তাকে খুঁজে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এ বিষয়ে শুক্রবার বিকাল ৩টায় তাশরীফ ফের একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে ফেসবুক লাইভের পরপরই সিলেটের পু’লিশ প্রশাসন আমাদের আশ্বস্ত করেছেন আমাদের যে কোন প্রয়োজনে উনারা পাশে থাকবেন এবং ইতিমধ্যে উনারা আমাদের ত্রাণের নিরাপত্তা দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমি বিশ্বা’স করি জনগণ আমাদের শক্তি আর প্রশাসন আমাদের সাহস। ’

তাশরীফের এই স্ট্যাটাসের পর পরই খুশি নেটিজেনরা। একঘণ্টাতেই ৮০ হাজারের বেশি রিয়েক্ট জমা পড়েছে। যার বেশিরভাগই ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া।

কমেন্টে অনেকে পু’লিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। অনেকে তাশরীফকে অ’ভিমান ভুলে ফের সামে এগিয়ে যাওয়াসহ শুভ কা’মনা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লাইভে এসে এ অ’ভিযোগ করেন তাশরীফ খান। তিনি জানালেন, ত্রাণ বণ্টন করে ক্লান্ত শরীরে দল নিয়ে যখন চা খেতে খেতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তখনই পু’লিশ এসে তাদের ধমক দেয় এবং ওই স্থান ছেড়ে চলে যেতে বলে।

ঘটনা প্রসঙ্গে ফেসবুক লাইভে এসে তাশরীফ বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) আড়াইটার দিকের ঘটনাটা। আমি জায়গাটার নাম বলব না। সিলেটের মধ্যেই। আমা’র গলাব্যথা ছিল। সবাই লাল চা খাচ্ছিলাম। গলা বসে গিয়েছিল। সেখানে পু’লিশের একটি গাড়ি এলো। একজন অফিসার এসে ধমকের সুরে আমাদের বললেন, ‘আপনারা এখানে কী করছেন?’ আমি বললাম, ‘স্যার আম’রা ঢাকা থেকে এখানে ত্রাণ দিতে এসেছি। আপনাদের সিলেটের জন্যই কাজ করছি। আমি একটি চা খেতে এসেছি। খেয়েই চলে যাব। ’

এ কথা শুনেও ওই পু’লিশ সদস্য সরাসরি ধমক তাশরীফকে। বলেন, ‘চলে যান এখান থেকে।’

তাশরীফ জানান, ‘তখন তার খুব খা’রা’প লাগে বিষয়টি। তখন তিনি ওই পু’লিশ সদস্যকে পাল্টা জিজ্ঞেস করেন, ‘স্যার, একজন নাগরিককে এভাবে ধমক দেবেন না। আম’রা সিলেটের জন্য কাজ করছি। আম’রা এখানে চু’রি করতে আসি নাই। এটা করবেন না। আমি চায়ের কাপটা শেষ করে চলে যাব, ২টা মিনিট সময় দেন। ’

তাশরীফ বলেন, তখন সেই পু’লিশ সদস্য আমাকে আঙুল তুলে বলেন, ‘এহন ভালো কই’রা বলতেছি, এরপরে খা’রা’প করে বলব। এক্ষুণি চলে যান।’

এর পর তাশরীফ সেই পু’লিশ সদস্যের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি তখন চায়ের কাপ রেখে চলে যাই। কোনো কথাও বলি নাই। কাউকে ব্যবহার শেখাতেও আসিনি। আমি এখানে ফাইট করতেও আসিনি। আমি কারও কাছে বিচারও দিচ্ছি না। আমি শেয়ার করছি, স্যার, আপনি যদি এই লাইভ দেখে থাকেন, আমা’র হাম্বল রিকোয়েস্ট। আমা’র টিমের পক্ষ থেকে বলছি, দয়া করে এই সময়টায়, পারলে আমাদের একটু পাশে দাঁড়ান। পারলে আমাদের একটু সাহস দিয়েন। আমাদের আপনাদের সাহসটা খুব দরকার। আপনারা সাহস দিলে আমাদের কাঁধটা আরও ভা’রি হয়ে যায়। আর আমাদের সহায়তা দেওয়ার মতো সেই যোগ্যতাটা হয়েছে।’

চিরকুট ব্যান্ডের এ গায়ক বলেন, ‘প্রশাসনের সম’র্থন পেলে, নিরাপত্তা দেওয়া হলে, ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করা হলে সিলেট-সুনামগঞ্জে যত আশ্রয়কেন্দ্র আছে সবই ত্রাণ পৌঁছে দিতে পারব। আম’রা দায়িত্ব নিয়ে পুরো দেশের ব’ন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। এটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বা’স করি। আমাদের দায়িত্ব দিয়ে দেখতে পারেন।’

এমন পরিস্থিতিতে এসে দুদিনেই ব’ন্যার্তদের ১৬ লাখ টাকার ব্যবস্থা করেন তিনি।

সিলেট-সুনামগঞ্জ ব’ন্যাপীড়িত এলাকায় গত কয়েক দিনে দেড় কোটি টাকার বেশি ত্রাণ সহায়তা সরবরাহ করেছেন গায়ক তাশরীফ।

এমন দুর্দান্ত কাজ করার এক পর্যায়ে পু’লিশের বাধার মুখে পড়েন তিনি।

ঘটনা প্রসঙ্গে ফেসবুক লাইভে এসে তাশরীফ বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) আড়াইটার দিকের ঘটনাটা। আমি জায়গাটার নাম বলব না। সিলেটের মধ্যেই। আমা’র গলাব্যথা ছিল। সবাই লাল চা খাচ্ছিলাম। গলা বসে গিয়েছিল। সেখানে পু’লিশের একটি গাড়ি এলো। একজন অফিসার এসে ধমকের সুরে আমাদের বললেন, ‘আপনারা এখানে কী করছেন?’ আমি বললাম, ‘স্যার আম’রা ঢাকা থেকে এখানে ত্রাণ দিতে এসেছি। আপনাদের সিলেটের জন্যই কাজ করছি। আমি একটি চা খেতে এসেছি। খেয়েই চলে যাব। ’

এ কথা শুনেও ওই পু’লিশ সদস্য সরাসরি ধমক তাশরীফকে। বলেন, ‘চলে যান এখান থেকে।’

তাশরীফ জানান, তখন তার খুব খা’রা’প লাগে বিষয়টি। তখন তিনি ওই পু’লিশ সদস্যকে পাল্টা জিজ্ঞেস করেন, ‘স্যার, একজন নাগরিককে এভাবে ধমক দেবেন না। আম’রা সিলেটের জন্য কাজ করছি। আম’রা এখানে চু’রি করতে আসি নাই। এটা করবেন না। আমি চায়ের কাপটা শেষ করে চলে যাব, ২টা মিনিট সময় দেন। ’

তাশরীফ বলেন, তখন সেই পু’লিশ সদস্য আমাকে আঙুল তুলে বলেন, ‘এহন ভালো কই’রা বলতেছি, এরপরে খা’রা’প করে বলব। এক্ষুণি চলে যান।’

এর পর তাশরীফ সেই পু’লিশ সদস্যের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি তখন চায়ের কাপ রেখে চলে যাই। কোনো কথাও বলি নাই। কাউকে ব্যবহার শেখাতেও আসিনি। আমি এখানে ফাইট করতেও আসিনি। আমি কারও কাছে বিচারও দিচ্ছি না। আমি শেয়ার করছি, স্যার, আপনি যদি এই লাইভ দেখে থাকেন, আমা’র হাম্বল রিকোয়েস্ট। আমা’র টিমের পক্ষ থেকে বলছি, দয়া করে এই সময়টায়, পারলে আমাদের একটু পাশে দাঁড়ান। পারলে আমাদের একটু সাহস দিয়েন। আমাদের আপনাদের সাহসটা খুব দরকার। আপনারা সাহস দিলে আমাদের কাঁধটা আরও ভা’রি হয়ে যায়। আর আমাদের সহায়তা দেওয়ার মতো সেই যোগ্যতাটা হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *