‘সালাউদ্দীনই প্রধান কোচ, আমি হচ্ছি সহায়ক‘

দেশের ক্রিকেটে অন্তত দু’জন কোচ আছেন, যারা শুরু থেকেই বিপিএলে কোন না কোন দলের হেড কোচ হিসেবে কাজ করছেন। একজন খালেদ মাহমুদ সুজন। অন্যজন মোহাম্মদ সালাউদ্দীন। দু’জনার কোচিংয়েই দল বিপিএল চ্যাম্পিয়নও হয়েছে।

এবার সুজন হচ্ছেন বরিশালের হেড কোচ। আর সালাউদ্দীন কুমিল্লার হেড কোচ হিসেবে থাকলেও সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক প্রধান প্রশিক্ষক স্টিভ রোডসও।

যদিও সালাউদ্দীন জানিয়ে দিয়েছেন, আমিই হেড কোচ। রোডস কাজ করবেন পরামর্শক হিসেবে। তারপরও এ ইংলিশ কোচের অন্তর্ভুক্তি দেখে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই কারণ খুঁজে বেড়াচ্ছেন, সালাউদ্দীন থাকার পরও কেন রোডসকে আনা হলো? তবে কী রোডসেরই প্রধান কোচ হয়ে আসার কথা ছিল?

জাগো নিউজের কাছে সালাউদ্দীন অবশ্য কারণ ভেঙ্গে বলেছেন। জানিয়েছেন, ‘কুমিল্লার হেড কোচ পদে কাজ করার সম্মতি জানাতে খানিক সময় নিয়েছিলাম আমি। তা দেখে কুমিল্লার ম্যানেজমেন্ট স্টিভ রোডসের সাথে যোগাযোগ করে ফেলে। এ ইংলিশও কথা দিয়ে বসেন যে, হ্যাঁ আমি কাজ করবো এবং বিপিএলের সময়টা নিজেকে অন্য কাজ থেকে ফ্রি করে রাখেন। পরে আমি রাজি হলে তাকে উপদেষ্টা কোচ করা হয়।’

আজ মঙ্গলবার প্রায় একই কথা রোডসের মুখে। তার কথা, ‘সালাউদ্দীন খুবই সফল একজন কোচ। সে বেশ কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি করেছে। আমার বিশ্বাস হেড কোচ হিসেবে তার সাফল্য অব্যাহত থাকবে। তবে আমি এখানে এসেছি কিছুটা ভিন্ন ভূমিকায়। আমি যে শুধু ক্রিকেটারদেরই পরামর্শ দেব তা নয়। আমি কোচদেরও সহযোগিতা করবো। আমার অভিজ্ঞতা ও ক্রিকেট জ্ঞান এখানে বাড়তি উপাদান হিসেবে কাজ করবে।’

খেলোয়াড়দের সংশয়মুক্ত থাকতে একটি ঘোষণাও দিয়েছেন রোডস। তার সোজা কথা, ‘খেলোয়াড়দের জানা খুব দরকার যে, সালাউদ্দীনই তাদের হেড কোচ এবং তাদের আরও জানা উচিৎ যে, আমি এখানে এসেছি তাদের কিছুটা সাহায্য করতে। আমি মনে করি, বিশেষ করে সর্বসাধারণেরও ব্যাপারটা বোঝা উচিৎ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *